মসজিদে মুসল্লিদের উপচে পড়া ভিড়, সচেতন স্বাস্থ্যবিধির প্রতিও

করোনা সংক্রমণের উর্ধ্বগতির মধ্যেই আবারো এলো প্রশান্তির মাস রমজান। সংক্রমণের কথা বিবেচনায় এনে রমজানে দেশের সব মসজিদে তারাবির নামাজসহ পাঁচ ওয়াক্ত নামাজে ইমাম, মুয়াজ্জিন, হাফেজসহ সর্বমোট ২০ জন মুসল্লি অংশ নিতে পারবেন বলে নির্দেশনা জারি করেছে ধর্ম মন্ত্রণালয়।

রমজানের প্রথম দিনে রাজধানীর বিভিন্ন মসজিদে স্বাস্থ্যবিধি মেনে তারাবিতে ছিল মুসল্লিদের স্বতঃর্স্ফুত অংশ গ্রহণ ও উপচে পড়া ভিড়। একাধিক সূত্র আওয়ার ইসলামকে জানিয়েছে, রমজানের প্রথম দিনের তারাবিতে কানায় কানায় ভরপুর ছিল রাজধানীর বিভিন্ন মসজিদ। স্বাস্থ্যবিধির প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ায় মসজিদে মসজিদে মুসল্লিদের এই স্বতঃস্ফুর্ত অংশ গ্রহণে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাধা দেওয়ার কোন খবর আসেনি আওয়ার ইসলামের প্রতিবেদকের কাছে। এছাড়া রাজধানীর বিভিন্ন মসজিদ ঘুরেও মুসল্লিদের স্বতঃস্ফুর্ত অংশ গ্রহণ ও স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিতের বিষয়টি জানা গেছে।

তারাবিতে মুসল্লিদের এই অংশ গ্রহণের বিষয়টিকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন রাজধানীর আম্বরশাহ মসজিদের ইমাম মাওলানা মাজহারুল ইসলাম। তিনি আওয়ার ইসলামকে বলেছেন, ‘মুসল্লিরা আত্মশুদ্ধির এই মাসে প্রথম দিনের তারাবিতে স্বতঃস্ফুর্তভাবে অংশ গ্রহণ করেছেন। সবার মাঝেই দেখা গেছে স্বাস্থবিধির ব্যাপারে সচেতনতা। মুসল্লিদের এই অংশ গ্রহণে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোন প্রকার বাধা দেওয়ার বিষয়টি নজরে আসেনি।’

’ধর্ম মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে তারাবিতে ২০ জন মুসল্লি বেঁধে দেওয়া হলেও মুসল্লিরা স্বাস্থ্যবিধির প্রতি সচেতন থাকলে সরকার বা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোন রকম বাধা দেওয়া হবে না বলেই ধারণা করা হচ্ছে’- বলছিলেন আম্বরশাহ মসজিদের ইমাম মাওলানা মাজহারুল ইসলাম।

রাজধানীর উত্তর মুগদার বাইতুল ওয়াদুদ মসজিদের ইমাম মাওলানা মুহাম্মদ আরাফাত। তিনিও আওয়ার ইসলামকে বলেছেন, রমজানের প্রথম দিনে তারাবি নামাজে মুসল্লিদের স্বতঃস্ফুর্ত অংশ গ্রহণের কথা। তিনি বলছেন, রমজানের প্রথম তারাবিতে মসজিদ ছিল কানায় কানায় ভরপুর। তবে করোনার কথা খেয়াল রেখে মুসল্লিদের মাঝে ছিল বাড়তি সচেতনতা। অনেকেই মাস্কের পাশাপাশি হ্যান্ড স্যানেটাইজারও সাথে নিয়ে এসেছে বলে জানান মাওলানা মুহাম্মদ আরাফাত।